জগদ্ধাত্রী সিরিয়াল আজকের পর্ব(১৯ ডিসেম্বর, ২০২৩)

পর্বের সংক্ষিপ্তসার:

জগদ্ধাত্রী সিরিয়াল আজকের পর্ব জগদ্ধাত্রীর অনুরোধে শ্যাম্বু কাকনের খোঁজে বের হয়। সে কাকনের বন্ধুদের সাথে কথা বলে এবং তাদের কাছ থেকে জানতে পারে যে কাকন গত কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ। শ্যাম্বু কাকনের বাড়িতে যায় এবং তার বাবা-মাকে জানায় যে সে কাকনের খোঁজে বের হয়েছে। কাকনের বাবা-মা শ্যাম্বুকে ধন্যবাদ জানান এবং তাকে কাকনের খোঁজে সাহায্য করার জন্য অনুরোধ করেন।

শ্যামবু কাকনের বন্ধুদের সাথে মিলে কাকনের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে। তারা কাকনের কলেজে, তার বন্ধুদের বাড়িতে, এমনকি তার প্রিয় জায়গাগুলোতেও খোঁজ করে। কিন্তু তারা কাকনের কোন খোঁজ পায় না।

একদিন শ্যাম্বু কাকনের বান্ধবীর সাথে কথা বলে। কাকনের বান্ধবী শ্যাম্বুকে জানায় যে কাকন最近幾天一直很煩惱。她說,কাকন সবসময় একা থাকত এবং কোন কথা বলত না। কাকনের বান্ধবীর কথা শুনে শ্যাম্বু মনে করে যে কাকন হয়তো কোন সমস্যায় পড়েছে।

শ্যামবু কাকনের বাবা-মাকে কাকনের বান্ধবীর কথা জানায়। কাকনের বাবা-মা শ্যাম্বুর কথা শুনে খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা শ্যাম্বুকে অনুরোধ করেন যে সে কাকনের সমস্যার সমাধান করে তাকে ফিরিয়ে আনুক।

শ্যামবু কাকনের সমস্যার সমাধান করার জন্য চেষ্টা করে। সে কাকনের বান্ধবীর কাছ থেকে আরও কিছু তথ্য জানতে চায়। কাকনের বান্ধবী শ্যাম্বুকে জানায় যে কাকন最近幾天一直在寫日記।她說,কাকনের ডায়েরি খুঁজে পেলে হয়তো কাকনের সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে।

শ্যামবু কাকনের বাড়ি থেকে তার ডায়েরি খুঁজে পায়। ডায়েরি পড়ে শ্যাম্বু জানতে পারে যে কাকন কোন মেয়ের জন্য পাগল হয়ে পড়েছিল। কিন্তু সেই মেয়েটি কাকনকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। কাকন এই বিষয়ে খুবই হতাশ ছিল এবং সে আত্মহত্যা করার কথা ভাবছিল।

শ্যামবু কাকনের বাবা-মাকে কাকনের ডায়েরি দেখায়। কাকনের বাবা-মা শ্যাম্বুর কথা শুনে খুবই দুঃখিত হন। তারা শ্যাম্বুকে কাকনকে খুঁজে পেতে সাহায্য করার জন্য অনুরোধ করেন।

শ্যামবু কাকনের খোঁজে আরও জোরে চেষ্টা করে। সে অবশেষে কাকনকে খুঁজে পায়। কাকন একটি পাহাড়ের উপরে দাঁড়িয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করছিল। শ্যাম্বু কাকনকে বাঁচিয়ে নেয়।

শ্যামবু কাকনকে তার বাবা-মায়ের কাছে নিয়ে যায়। কাকনের বাবা-মা শ্যাম্বুকে ধন্যবাদ জানান। তারা শ্যাম্বুকে বলেন যে তারা কাকনকে আর কখনও ছাড়বে না।

পর্বের শেষে:

শ্যামবু কাকনকে তার বাবা-মায়ের সাথে সুখে থাকার জন্য অনুরোধ করে। কাকন শ্যাম্বুর কথা শুনে রাজি হয়। কাকন তার বাবা-মায়ের সাথে সুখে থাকতে শুরু করে।

পর্বের মূল বিষয়:

এই পর্বে দেখানো হয়েছে যে, যেকোনো সমস্যার সমাধানের জন্য সাহায্য চাওয়া উচিত। শ্যাম্বু কাকনের সমস্যার সমাধান করার জন্য সাহায্য করেছিল এবং কাকনকে বাঁচাতে পেরেছিল।

Rate this post

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *