হরগৌরী প্রাইস হোটেল সিরিয়াল আজকের পর্ব (২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩)

পর্বের নাম: সত্যের সন্ধানে

পর্বের শুরু

হরগৌরী প্রাইস হোটেল সিরিয়াল আজকের পর্ব হরগৌরী প্রাইস হোটেলের সামনে একদল পুলিশ এসে জড়ো হয়েছে। তাদের নেতৃত্বে রয়েছেন থানার ওসি, স্যার। তিনি হোটেলের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসা করছেন, “হোটেলে কি আজ রাতে কোনো সন্দেহজনক লোক এসেছিল?”

ম্যানেজার বললেন, “না, স্যার। আজ রাতে কোনো সন্দেহজনক লোক আসেনি। তবে, গতকাল রাতে এক ভদ্রলোক এসেছিলেন। তিনি একটা ছোট্ট কাগজ আমাকে দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, এটা আপনার জন্য।”

ওসি কাগজটা নিয়ে পড়লেন। কাগজে লেখা ছিল, “হরগৌরী প্রাইস হোটেলের ম্যানেজার সাহেব,

আমি একটা গোপন তথ্য আপনাকে দিতে চাই। এই হোটেলে একটা খুনের ঘটনা ঘটেছে। খুনটি হয়েছে গতকাল রাতে। খুনটি করেছেন হোটেলের একজন কর্মচারী। তিনি একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে খুন করেছেন। খুনটি করার পর তিনি পালিয়ে গেছেন।

আমি এই তথ্য আপনাকে দিচ্ছি কারণ আমি একজন ন্যায়পরায়ণ মানুষ। আমি চাই না এই খুনের অপরাধী কোনোভাবে বেঁচে যায়।

আপনার নাম আমি জানিনা। কিন্তু আমি আশা করি, আপনি এই তথ্যের সঠিক ব্যবহার করবেন।

আপনার বিশ্বস্ত,

একজন ন্যায়পরায়ণ মানুষ”

ওসি কাগজটা পড়ে চমকে গেলেন। তিনি ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসা করলেন, “এই কাগজটা আপনি কোথায় পেয়েছিলেন?”

ম্যানেজার বললেন, “এই কাগজটা গতকাল রাতে একজন ভদ্রলোক আমাকে দিয়েছিলেন। তিনি আমাকে বলেছিলেন, এটা আপনার জন্য। আমি তখন কাগজটা রেখে দিয়েছিলাম। আজ সকালে আমি কাগজটা খুঁজে পেয়েছি।”

ওসি ম্যানেজারকে আরও জিজ্ঞাসা করলেন, “সেই ভদ্রলোকটা কে ছিলেন?”

ম্যানেজার বললেন, “আমি জানি না। তিনি আমাকে তার পরিচয় দেননি। তিনি শুধু বলেছিলেন, তিনি একজন ন্যায়পরায়ণ মানুষ।”

ওসি ম্যানেজারকে ধন্যবাদ জানিয়ে চলে গেলেন। তিনি তার সহকর্মীদের সাথে পরামর্শ করলেন। তারা সিদ্ধান্ত নিলেন, তারা এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করবেন।

পর্বের মধ্যবর্তী অংশ

ওসি এবং তার সহকর্মীরা হোটেলের সব কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেন। কিন্তু কেউই খুনের কথা স্বীকার করল না।

ওসি হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করলেন। ফুটেজ থেকে দেখা গেল, গতকাল রাতে একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি হোটেলে এসেছিল। তিনি কিছুক্ষণ হোটেলে ছিলেন। তারপর তিনি বেরিয়ে যান।

ওসি সেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির সন্ধানে তদন্ত শুরু করলেন।

পর্বের শেষ

একদিন ওসির দল সেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে খুঁজে পায়। সেই ব্যক্তির নাম মনির। তিনি হোটেলের একজন কর্মচারী।

ওসি মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মনির খুনের কথা স্বীকার করে। তিনি বলে, “হ্যাঁ, আমিই খুন করেছি। আমি একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে খুন করেছি।”

ওসি মনিরকে গ্রেপ্তার করে। তিনি মনিরকে আদালতে পাঠিয়ে দেন।

এইভাবে, হরগৌরী প্রাইস হোটেলের খুনের ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হয়।

পর্বের শেষ

Rate this post

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *